1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুম উদ্বোধন: বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচনের দ্বিতীয় টিজারে ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গ, ভোটে অংশগ্রহণে আহ্বান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দ্বিতীয় টিজার শুক্রবার রাতে প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। এক মিনিট ৯ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের টিজারটিতে ২০১১ সালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত ফেলানী খাতুনের ঘটনার স্মৃতি তুলে ধরে তার বাবা মো. নূর ইসলামের বক্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে তিনি ন্যায়বিচারের অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন।


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে জাতীয় নির্বাচনের দ্বিতীয় টিজারটি প্রকাশ করা হয়। টিজারটির সময়কাল এক মিনিট ৯ সেকেন্ড। এতে ফেলানী খাতুনের বাবা মো. নূর ইসলামকে দেখা যায় ২০১১ সালে সীমান্তে তার কন্যার মৃত্যুর ঘটনা স্মরণ করতে। তিনি ওই ঘটনার বিচার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

টিজারে নূর ইসলাম বলেন, “আজও আমি বিচার পাইনি। কীভাবে বিচার পাব? বরং তখন আমাদের সরকার ভারতের পক্ষেই কথা বলেছিল। তখন বাংলাদেশের সরকার ছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। আমরা আর এমন সরকার চাই না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন সরকার চাই না যারা আমাদের পক্ষে কথা বলতে পারবে না। এমন সরকার চাই যারা আমাদের জন্য সাহসিকতার সঙ্গে কথা বলবে এবং হত্যার বিচার চাইবে।”

টিজারের শেষাংশে নূর ইসলাম দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা ভোট দেব, আমাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে নেব। এই নির্বাচনে কে জিতবে? বাংলাদেশ জিতবে।”

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বরাতে জানা যায়, টিজারের শেষ অংশে প্রদর্শিত বার্তায় বলা হয়েছে—“ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়ে ঠিক করুন কেমন বাংলাদেশ চান। মনে রাখবেন, দেশের চাবি এবার আপনার হাতে।”

এর আগে, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম টিজারটি প্রকাশ করা হয় গত মাসে। সেখানে ভোটের গুরুত্ব ও নাগরিক দায়িত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় টিজারটিতে সেই ধারাবাহিকতায় দেশের সার্বভৌমত্ব, ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকারের বিষয়গুলো আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

নির্বাচনী টিজারটি মূলত ভোটারদের অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে বলে প্রেস উইং জানিয়েছে। এতে কোনো রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীক প্রচার করা হয়নি; বরং নাগরিকদের দায়িত্ববোধ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্বকে তুলে ধরা হয়েছে।

টিজারটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গ টিজারে ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেও প্রেস উইং সূত্র জানিয়েছে, এটি জনগণের মনে রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা ও মানবিক ন্যায়ের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসনিক ও কারিগরি কার্যক্রম শুরু করেছে। টিজারটি সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে, যা জনগণকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক চেতনা জাগিয়ে তোলার প্রচেষ্টা হিসেবেও বিবেচিত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026