1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

পটুয়াখালীতে শহীদের কন্যা ধর্ষণ মামলায় তিন আসামিকে কারাদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮৯ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালীর একটি আদালত ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণ অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের কন্যাকে ধর্ষণের ঘটনায় তিন আসামিকে দণ্ডিত করেছে। এ মামলায় আসামি সিফাত ও সাকিবকে ১৩ বছর এবং ইমরান মুন্সিকে ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিলুফার সারমিন এই রায় প্রদান করেন। বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, এই ধর্ষণের ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্তরা অপরাধে জড়িত ছিল এবং তাদের শাস্তি রাষ্ট্রের আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী দেয়া হয়েছে।

মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, মামলার বিচার কার্য শুরু হওয়ার আগে আসামিদের শিশু হিসেবে দেখানো হয়েছিল। তবে আদালত সন্তুষ্ট হওয়ার পর, নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ৩ ধারায় আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি পর্ণোগ্রাফি আইনের ৮ এর ৭ ধারায় সাকিব ও সিফাতকে আরও ৩ বছর করে অতিরিক্ত শাস্তি দেয়, ফলে তাদের মোট ১৩ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া ইউনিয়নে শহীদ পরিবারের কন্যা নিজের বাড়ি থেকে নানা বাড়ি যাওয়ার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে ধর্ষণের ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শহীদের কন্যা, এবং ২৬ এপ্রিল ঢাকার শেখেরটেক এলাকায় ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ (২২ অক্টোবর) রায় ঘোষণা করা হয়। নিহতের পরিবার, আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ এই রায়কে সন্তোষজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা এই রায়ের মাধ্যমে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, এই রায়ের মাধ্যমে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করার গুরুত্ব আরও একবার সামনে এসেছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের মামলায় দ্রুত বিচার কার্যক্রম এবং ন্যায়বিচারের বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com