1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের ৪৩ জেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নতুন মুখপাত্র নিযুক্ত জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ বিএনপি সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ স্বতন্ত্র এমপির ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে নতুন করে উদ্বেগ গণভোটের ফলাফল ও রাষ্ট্র সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আজ ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হিমাচলে বৃষ্টি, ধস আর বানে ৭২ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১২৬ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক অনলাইন  ডেস্ক

 

ভারতের হিমাচল প্রদেশের ১০ জেলায় আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করল রাজ্যটির আবহাওয়া দফতর। রবিবার রাজ্যের তিন জেলা কাংড়া, সিরমৌর এবং মন্ডিতে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

অন্য দিকে, উনা, বিলাসপুর, হামিরপুর, চম্বা, সোলান, শিমলা এবং কুল্লুতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ১১৫.৬ মিলিমিটার থেকে ২০৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে সেটিকে অতিভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়। ২০৪.৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে সেটিকে অতি অতি ভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়।

হিমাচল রাজ্য প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, মেঘভাঙা বৃষ্টি, ধস এবং হড়পা বানে গত ২০ জুন থেকে এখনও পর্যন্ত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ ৪০ জন। আহতের সংখ্যা শতাধিক।

হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিংহ সুখু জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে ১৪টি মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। তার জেরে হড়পা বান এবং ধসে বহু বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ইমারতের। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে এখনও পর্যন্ত ৭০০ কোটির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যে মোট ২৬০টি রাস্তা বন্ধ। তার মধ্যে কোনওটি হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে। কোনওটিতে ধস নেমে পুরোপুরি বন্ধ। কোনও রাস্তা আবার প্লাবিত। শুক্রবার সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে যোগীন্দরনগরে (৫২ মিমি), তার পর নাহান এবং পালমপুরে (২৮.৮ মিমি) পাওতাঁ সাহিব (২১ মিমি), উনা (১৮ মিমি), কাংড়া (১৫ মিমি)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৮ জুলাই পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। তবে বৃষ্টি চলবে ১১ জুলাই পর্যন্ত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026