1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাম প্রাদুর্ভাবে শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের অনিশ্চয়তা পলিসি ও প্রশাসন বিষয়ে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের মন্তব্যে পুনর্বাসন ও অগ্রাধিকার খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা সরকারি কর্মচারীরা দ্বিতীয় দিনও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি চালাচ্ছেন মাভাবিপ্রবিতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থী আন্দোলন, উপাচার্য কার্যালয়ে তালা

সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নতুন প্রার্থী, জাতীয় নির্বাচনের জন্য ‘বার্তা’

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৩৮ বার দেখা হয়েছে

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাঁচটির মধ্যে তিনটিতে মেয়র পদে নতুন প্রার্থী বেছে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই নতুন প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার ঘটনাকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বার্তা হিসেবে দেখছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। তাঁরা মনে করছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনেও দলের মনোনয়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। কেউ কেউ মনে করছেন এবার শ খানেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের কপাল পুড়তে পারে।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কয়েকটি ভাবনা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে—আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো হবে না। এই নির্বাচনে বিপুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের। এই পরিস্থিতিতে বিতর্কিত ও নিজ নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান দুর্বল, এমন নেতাদের মনোনয়ন দিয়ে ঝুঁকি নেবে না ক্ষমতাসীন দলটি। এ জন্যই দলের অনেক সংসদ সদস্য বাদ পড়তে পারেন। কেউ কেউ বাদ পড়তে পারেন বয়সের কারণে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ৪৯ জন মন্ত্রী-সংসদ সদস্য বাদ পড়েছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন বিতর্কিত। বার্ধক্যের কারণে বাদ পড়েন দু-চারজন। পরেরবার ২০১৮ সালে ৪০ জনের মতো বাদ পড়েন, তবে বাদ পড়াদের মধ্যে মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন শুধু উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়। আর আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজে থেকেই অবসরে চলে যান। বাকি যেসব সংসদ সদস্য বাদ পড়েন, তাদের বেশির ভাগই জোটের আসন সমঝোতার বলি হন। কেউ কেউ বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য বাদ পড়েন। আবার দল ও সরকারকে আলাদা করার চেষ্টার কারণেও কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026