1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাম প্রাদুর্ভাবে শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের অনিশ্চয়তা পলিসি ও প্রশাসন বিষয়ে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের মন্তব্যে পুনর্বাসন ও অগ্রাধিকার খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা সরকারি কর্মচারীরা দ্বিতীয় দিনও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি চালাচ্ছেন মাভাবিপ্রবিতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থী আন্দোলন, উপাচার্য কার্যালয়ে তালা

সড়কে বিশৃঙ্খলা পুলিশকে ‘খুশি করে’ এক্সপ্রেসওয়েতে চলছে অবৈধ বাস পদ্মা সেতু দিয়ে বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া বন্ধ রেখেছে বিআরটিএ। পদ্মা সেতুর সদ্ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন।

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
  • ১৩৫ বার দেখা হয়েছে

পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়েতে ইমাদ পরিবহনের যে বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেই বাসের চলাচলের অনুমতি ছিল না। ছিল না ফিটনেস সনদও। তারপরও সেটি নিয়মিত ঢাকা থেকে খুলনার পথে যাত্রী পরিবহন করছিল। এমন শত শত বাস পদ্মা সেতু হয়ে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় অবৈধভাবে চলাচল করছে। এর মধ্যে গ্রিনলাইন, হানিফ, সোহাগ, এনা, ইউনিক, গোল্ডেন লাইনসহ বড় কোম্পানির বাসও রয়েছে।

পরিবহন কোম্পানিগুলোর সূত্র বলছে, পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণের পথে যাত্রী চাহিদা বেড়ে যায়। নতুন বাস নামাতে তারা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বরাবর চলাচলের অনুমতির (রুট পারমিট) জন্য আবেদনও জমা দিয়েছে। কিন্তু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আপত্তিতে তা দিচ্ছে না বিআরটিএ। এর ফলে অনুমতি ছাড়াই পুলিশকে ‘খুশি করে’ করে বাস চালানো হচ্ছে। এই সুযোগে ফিটনেসবিহীন বাসও এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে অবাধে চলাচল করছে। সেই সঙ্গে বেপরোয়া গতি সড়ক দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই এই পথে বেশি বাস চালাচ্ছেন।নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়াও।

এই অবস্থা চললেও এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। যাদের সিদ্ধান্তে রুট পারমিট দেওয়া বন্ধ রয়েছে, সেই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা দেখার দায়িত্ব পুলিশ ও বিআরটিএর। অন্যদিকে বিআরটিএর একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, রুট পারমিট দেওয়ার পর সড়কে বাস চলল কি না, অথবা স্থগিত করার পর আবার চলাচল করছে কি না, তা দেখার মতো লোকবল বা ব্যবস্থা বিআরটিএর নেই। পুলিশ চাইলে যেকোনো সময় ব্যবস্থা নিতে পারে। এখন পুলিশ নীরব থাকলে শাস্তি কার্যকর করা কঠিন।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026