1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও কড়া নজরদারি চকবাজারে হাজী আবুল বাশার সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, হতাহত নেই কর নথি অডিটের নামে প্রতারণা থেকে করদাতাদের সতর্ক থাকার আহ্বান এনবিআরের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ গভর্নরের কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা, সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৮৫৮ মামলা, রেকার ও ডাম্পিং ৮১৬ গাড়ির প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে প্রযুক্তি ও বাজেট বাড়ানোর ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফকিরহাটে জাতীয় দলের গোলকিপার জিয়ার সঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কুশল বিনিময় শৃঙ্খলার স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পাচ্ছে পিজিআর: প্রধানমন্ত্রী

তামাকপণ্যে কর বৃদ্ধির সুপারিশ ৯৭ সংসদ সদস্যের

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
  • ১৬৮ বার দেখা হয়েছে

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিং’ এর উদ্যোগে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের চূড়ান্ত বাজেটে অর্থমন্ত্রীর নিকট তামাকপণ্যে যুক্তিযুক্ত কর ও মূল্য বৃদ্ধির সুপারিশ জানিয়েছেন ৯৭ জন সংসদ সদস্য। এই দাবি বাস্তবায়িত হলে, বাড়তি রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি অসংখ্যা মানুষকে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো এবং তামাকের ব্যবহার থেকে বিরত রাখা সম্ভব হবে।এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিমের সঙ্গে সাক্ষাত করে তার নিকট সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষরিত এই চিঠি (ডিও লেটার) হস্তান্তর করেন পার্লামেন্টারি ফোরামের সাচিবিক সংস্থা স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ এবং পরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।

এসময় আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম বলেন, ‘তামাকপণ্যে কর বৃদ্ধির বিষয়টি এখন মাননীয় সংসদ সদস্যদের এখতিয়ার এবং বিবেচনাধীন রয়েছে। তাঁরা সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়টি উত্থাপন করার মাধ্যমে সুপারিশ করলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও আমাদের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) সমন্বয় করে এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’

Sheikh Rasel

চিঠিতে সংসদ সদস্যবৃন্দ তামাকপণ্যের মূল্যস্তর চারটি থেকে দুটিতে নামিয়ে আনার সুপারিশ করেন। তাঁদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো-

সকল সিগারেট ব্রান্ডে অভিন্ন করভারসহ (সম্পূরক শুল্ক চূড়ান্ত খুচরা মূল্যের ৬৫ শতাংশ) মূল্যস্তরভিত্তিক সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ (সম্পূরক) শুল্ক প্রচলন করে নিম্ন স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ৫০ টাকা, মধ্যম স্তরে ৭৩ টাকা, উচ্চ স্তরে ১২০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৫২ টাকা নির্ধারণ করা এবং ফিল্টারযুক্ত ও ফিল্টারবিহীন বিড়িতে অভিন্ন করভারসহ (সম্পূরক শুল্ক চূড়ান্ত খুচরা মূল্যের ৪৫ শতাংশ) সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ (সম্পূরক) শুল্ক প্রচলন করা ও জর্দা এবং গুলের কর ও দাম বৃদ্ধিসহ সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ শুল্ক (সম্পূরক শুল্ক চূড়ান্ত খুচরা মূল্যের ৬০ শতাংশ) প্রচলন করা।

এই চিঠিতে বলা হয়, উল্লেখিত প্রস্তাব ও সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হলে এসডিজির টার্গেট ৩.৪ অর্জনে- ‘২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনা’র জন্য এই বাড়তি রাজস্ব ব্যয় করা যাবে। নিম্ন স্তরের সিগারেটের মূল্য বেশি বাড়ালে নিম্ন আয়ের সিগারেট ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা করা যাবে। তাঁদের আয়ের প্রায় ২১ শতাংশ ব্যয় হয় তামাক পণ্যের পেছনে। এই অর্থ তামাক পণ্যের পরিবর্তে শিক্ষায় ব্যয় করলে তাঁদের সন্তানদের পড়ালেখার মোট ব্যয় ১১ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026