1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

অস্তিত্বহীন ৩ কোম্পানিকে হাজার কোটি টাকা ঋণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২
  • ১৬০ বার দেখা হয়েছে
যাচাই-বাছাই ছাড়াই তিনটি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংক। কোনো ধরনের নিয়ম-কানুন না মেনে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় এ ঋণ ছাড় করেছে ব্যাংকটি। সময়ের আলোর অনুসন্ধানে ঋণ প্রদান করা প্রতিষ্ঠান তিনটির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি ঋণ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনে ছিল না কোনো চেয়ারম্যান বা পরিচালকদের নাম। এমন প্রতিষ্ঠানকে এত টাকা ঋণ দেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে ঋণ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়ে।
হাউজিং ও রিয়েল এস্টেট কোম্পানির নামে টার্ম লোন হিসেবে ৯৪৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা ঋণ দেয় আইএফআইসি ব্যাংক। এসব ঋণের বিপরীতে কোনো আদায় না থাকায় দায়সহ মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আইএফআইসি ব্যাংকের গুলশান ও প্রিন্সিপাল শাখার ২০১৯ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শ্রেণিকৃত ঋণ (সিএল) বিবরণীর তথ্যমতে, রাজ হাউজিং লিমিটেড, সৃষ্টি রিয়েল এস্টেট লিমিটেড এবং কুইক রিয়েল এস্টেট- এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৫ বছরমেয়াদি মোট ৬টি টার্ম লোন হিসাব সৃষ্টি করে ৯৪৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এসব কোম্পানির অস্তিত্ব আছে কি না, জানতে চাওয়া হয় রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব নেতাদের কাছে।
একাধিক রিহ্যাব নেতা এসব প্রতিষ্ঠানের নামও জানেন না বলে সময়ের আলোকে জানিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিহাবের এক শীর্ষ নেতা বলেছেন, ‘বাংলাদেশে যতগুলো হাউজিং ব্যবসার প্রতিষ্ঠান আছে তার সঠিক কোনো হিসাব আমার কাছে নেই। আপনার বলা নামগুলো আমাদের সংগঠনের সদস্যও নয়। সব কোম্পানিই যে সদস্য হবে তেমনও নয়। সংগঠনের বাইরেও অনেক কোম্পানি আছে। আপনার প্রশ্ন পাওয়ার পর আমি খুঁজে দেখেছি, এসব কোম্পানির  নাম আছে কি না আমাদের লিস্টে। আমি পাইনি। এসব কোম্পানিই দেশে ফ্ল্যাট-প্লটের ব্যবসার নামে অন্যায় ও দুর্নীতি করে। এদেরকে আইনের আওতায় আনা উচিত।’বিস্তারিত
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com