1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের মেগা পরিকল্পনা ঢালাও আসামি ও নানা অসংগতি: ঝুলে আছে জুলাই আন্দোলনের অধিকাংশ মামলার তদন্ত মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের নকআউট পর্বের ম্যাচ নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে লালমনিরহাটে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির গণবিয়ে সম্পন্ন, এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু আগামী আগস্ট মাসজুড়ে অনলাইনে নেওয়া হবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আবেদন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মানবিকতা: ভূমিকম্পে পা হারানো ভেনেজুয়েলার শিশুকে জার্সি ও ভিডিও বার্তা প্রেরণ আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষকৃত্য: পাঁচ হাজারেরও বেশি স্কুল উন্মুক্ত করল ইরান বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

রাখাইনে ফিরে গেল এক রোহিঙ্গা পরিবার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৮
  • ২৭৪ বার দেখা হয়েছে

??????-????????-??????-???????????-????????-???????-rtvonline-rakhaine-rohingya-family-repatriate-myanmar-un


দেশ মিডিয়া

বাংলাদেশ থেকে একটি রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবার মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে গেছে। শনিবার সকালে পাঁচ সদস্যদের একটি মুসলিম পরিবার রাখাইনের তাউনপিওলেতউইয়া সেন্টারে পৌঁছেছে বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে।

মিয়ানমার সরকাররের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই পরিবারের সদস্যদেরকে অভিবাসন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরীক্ষা করেছে।এছাড়াও বসবাসের জন্য সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও ‍পুনর্বাসন তাদেরকে চাল, মশারি, কম্বল, টি-শার্ট, লুঙ্গি ও হাঁড়িপাতিলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়েছে। ওই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যারা মিয়ানমারে পৌঁছানোর শর্ত পূরণ করেছে তাদের ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ডস (এনভিসি) দেয়া হয়েছে। এই কার্ড দেয়ার মাধ্যমে তারা সারাজীবন রাখাইনে বাস করতে পারবেন এবং এখন থেকে নতুন অভিবাসী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

আরো বলা হয়, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বিষয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এক চুক্তি সই করে। যার ফলে রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করতে দুটি রিসেপশন সেন্টার ও রাখাইন সীমান্তের কাছে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী ঢাকা-নেইপিদো আগামী ২ বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে একমত হয়।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশক ধরে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা চার লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। গত বছর ২৫ আগস্ট রাখাইনে নতুন করে দমন অভিযান শুরুর পর আরো সোয়া ৬ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। জাতিসংঘ ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে আসছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ রোহিঙ্গা সঙ্কট এশিয়ার এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় ‘শরণার্থী সমস্যা’।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026