1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

ইলিশপ্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭
  • ২১৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘বার্ষিক গবেষণা-পরিকল্পনা প্রণয়ন ২০১৭-১৮’ শীর্ষক কর্মশালায় ইলিশপ্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণে ২২ দিনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মশালায় জানানো হয়, এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় প্রথম ৫ দিনে ১শ’ জন এবং পরের ৫ দিনে আরো ৭৪৬ জন জেলেকে আটক করা হয়। দ্বিতীয় ৫ দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্যের হার ৭ গুণ বেড়েছে, যা বেশ উদ্বেগজনক। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বক্তারা বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে জেলেরাই লাভবান বেশি হবেন। তাই প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ আহরণ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা উচিত।
বক্তারা জানান, সরকার মৎস্যের উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমকে জোর দিয়ে গবেষণা ইনস্টিটিউটের বাজেট বৃদ্ধি করেছে এবং ২ শতাধিক নতুনপদ সৃজন করেছে। এছাড়াও গবেষণাকে ত্বরান্বিত করতে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন উন্নয়নপ্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ডিজি ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য সচিব মো. মাকসুদুল হাসান খান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান দিলদার আহমদ, অতিরিক্ত সচিব ড. নজরুল আনোয়ার এবং মৎস্য অধিদফতরের ডিজি সৈয়দ আরিফ আজাদ।
প্রধান অতিথি জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্যখাতকে খুবই সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে বলেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ১১ শতাংশের অধিক মৎস্যখাতে নির্ভরশীল এবং দেশের মোট আমিষের ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ অর্জিত হয় এই খাত থেকে। মিঠাপানির মাছের উৎপাদনে সফল হলেও সামুদ্রিক ও লোনাপানির মাছের উৎপাদনে দেশ পিছিয়ে আছে। উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ি ছাড়াও প্রাকৃতিক সুস্বাদুমাছ যেমন পারশে, দাতিনা, চিত্রা, তোপ্সে, নোনা টেংরা, কাইন, মাগুর ইত্যাদি ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে, যা রোধ করা জরুরি।
কর্মশালায় সারাদেশ থেকে বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মী, সরকারি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মৎস্যসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও চাষিগণ অংশগ্রহণ করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026