1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

অটোরিকশায় ট্রেনের ধাক্কা: দুই ছেলের পর চলে গেলেন বাবাও

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৭৫ বার দেখা হয়েছে

আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

চিকিৎসার জন্য দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন সাদেক মিয়া। কিন্তু রাস্তায় অটোরিকশায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই ছেলে মারা যান। দুই ছেলের মৃত্যুর পর বাবাও মারা গেলেন।

রোববার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর বাজার এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন- জেলার সদর উপজেলার নাটাই (উত্তর) ইউনিয়নের রাজঘর গ্রামের মো. সাদেক (৬৮) এবং তার দুই ছেলে মো. পাভেল মিয়া (৩৪) ও মো. রুবেল মিয়া (২২)। এ ঘটনায় একই এলাকার তলিয়া গ্রামের সিএনজি চালক সিরু মিয়া গুরুতর আহত হয়েছেন।

রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবার চিকিৎসার জন্য আশুগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে তিতাস কমিউটার ট্রেনে ঢাকা যেতে বাড়ি থেকে সিএনজি নিয়ে রওনা হন দুই ভাই। ভোর পৌনে ৫টার দিকে ঢাকাগামী চট্টলা ট্রেনটি আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর বাজার এলাকা অতিক্রম করার সময় সিএনজিচালক দ্রুত ট্রেনের সামনে দিয়ে রেলক্রসিং পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে যায় ও ঘটনাস্থলে পাভেল মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পাভেলের ছোট ভাই রুবেল, তাদের বাবা সাদেক মিয়া ও সিএনজি চালক সিরু মিয়াকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রথমে রুবেল এবং ঘণ্টাখানেক পর বাবা সাদেক মিয়াও মারা যান। এদিকে গুরুতর আহত সিএনজি চালক সিরু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

নিহতদের স্বজনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে রেলওয়ে পুলিশ। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (অপারেশন) মো. আলাউদ্দিন, সহকারি সংকেত, টেলিযোগাযোগ কর্মকর্তা আহাদ আলী খলিফা ও রেলওয়ের আখাউরা অফিসের সহকারি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুর রহমান। তদন্ত প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের কথা রয়েছে।

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রধান মো. আমিনুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তাড়াহুড়া করে ব্যারিয়ার উঠিয়ে ক্রসিং পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। তবে রেলওয়ে দায়িত্বরতদের গাফিলতি রয়েছে কি-না তাও তদন্ত করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে আখাউরা রেলওয়ে থানার ওসি মো. মাজহারুল করিম বলেন, ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজির যাত্রী দুই ছেলেসহ বাবা নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত সিএনজি চালক আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহতদের স্বজনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ মামলা রেকর্ড করেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com