1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুম উদ্বোধন: বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

বিশ্ব পর্যটন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ১৫৫ বার দেখা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৭ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০১৭’ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০১৭’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ঝঁংঃধরহধনষব ঞড়ঁৎরংস-ধ ঞড়ড়ষ ভড়ৎ উবাবষড়ঢ়সবহঃ’ যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা উপলব্ধি করে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন গঠন করেন।
ঝঁংঃধরহধনষব ঞড়ঁৎরংস হচ্ছে জাতিসংঘ ঘোষিত ঝউএং এর অন্যতম অনুষঙ্গ। এর মাধ্যমে
পর্যটনশিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে পর্যটক, অংশীজন এবং জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে। আমাদের সরকার ২০১০ সালে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা প্রণয়ন করে। এতে পরিবেশ, প্রকৃতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রেখে টেকসই পর্যটন উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
আমাদের সরকার বাংলাদেশের অফুরন্ত পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশি বিদেশি সকল শ্রেণির পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটন উন্নয়নে স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য দূর করতে ঈড়সসঁহরঃু ইধংবফ ঞড়ঁৎরংস এর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও নিজস্ব সংস্কৃতির ক্ষতি সাধন না করে ‘দায়িত্বশীল পর্যটন’ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন করে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যটন শিল্পের সমন্বিত ও সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পর্যটন আকর্ষণীয় এলাকাসমূহে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধাদি প্রবর্তন করা হয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য ও দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অটুট রেখে পর্যটন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের জীবনমান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য আমি আহ্বান জানাই।
আমি আশা করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখীসমৃদ্ধ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।
আমি ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০১৭’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026