বহুল আলোচিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী এনামুল হক আরমানকেও। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় রবিবার ভোর ৫টায়
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। রবিবার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর থেকে
নিজস্ব প্রতিবেদক ;আরেক মাফিয়ার সন্ধান পেয়েছে র্যাব। সেলিম প্রধান নামের ওই মাফিয়া বছরের বেশির ভাগ সময় বিদেশে অবস্থান করতেন। দেশে এলেও বিন্দুমাত্র ছন্দপতন ঘটত না তার লাইফস্টাইলের। প্রতি রাতেই সুন্দরী
মাহমুদ আজহার, ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) থেকে ; আজ থেকে কয়েক বছর আগেও থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের আনাচকানাচ ছিল জুয়ার আসরে ভরপুর। ক্যাসিনোর আড়ালে চলত অবৈধ জুয়া ব্যবসা। এ নিয়ে বিব্রত ছিল সরকারও।
ক্যাসিনো গডফাদার ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেফতারের বিষয়ে লুকোচুরি খেলা চলছে। কয়েকদিন ধরেই তিনি গোয়েন্দাজালে আটকে আছেন। এরপর তাকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা সে বিষয়েও কেউ মুখ খুলছেন
মাহমুদুল হাসান ;নয়নপিএইচডি করতে গিয়ে ছুটি শেষ হওয়ার পরও দেশের বাইরে অবস্থান করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
দেলওয়ার হোসেন; ডিসি-ইউএনওসহ মাঠ প্রশাসনের প্রত্যেক কর্মকর্তার কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এজন্য বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
সাহাদাত হোসেন পরশ ও আতাউর রহমান ;নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া অনেকেই এখন চরম আতঙ্কে। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর গ্রেফতার আতঙ্ক ছাড়াও তাদের মধ্যে সম্পদ জব্দ হওয়ার ভীতি কাজ
মেহেদী হাসান; দেশের টাকায় লন্ডনে চারটি কোম্পানি খুলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। এসব প্রতিষ্ঠানে শতকোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন তিনি। ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে জড়িতসহ ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের
মোর্শেদ নোমান, ঢাকা ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও তাঁদের পৃষ্ঠপোষকদের সম্পদের খোঁজে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁদের সহযোগী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতিরও খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে।