কাকরাইলে মাওলানা সাদ

তীব্র বিক্ষোভের মুখে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবরুদ্ধ থাকা তাবলীগ জামাতের মুরুব্বি মাওলানা মোহাম্মদ সাদ কান্ধলভীকে কাকরাইলে নেয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাকে কাকরাইল মসজিদের তাবলীগ জামায়াতের মারকাজে (অফিস) নেয়া হয়।

পুলিশের রমনা জোনের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত মাওলানা সাদকে শাহজালাল বিমানবন্দরেই রাখা হবে বলে জানান বিমানবন্দর থানার ওসি নূরে আযম মিয়া।

তিনি বলেন, মাওলানা মোহাম্মদ সাদকে আপাতত বিমানবন্দরের ভেতরেই রাখা হবে। এ মুহূর্তে তাকে ইজতেমা মাঠে নেয়া হচ্ছে না। এরপরই তাকে কাকরাইলে নেয়া হয়।

এদিকে মাওলানা মোহাম্মদ সাদকে ইজতেমা মাঠে ঢুকতে না দিতে ও কাকরাইলে অবরুদ্ধ রাখতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিক্ষুব্ধ তাবলীগের অনুসারীরা। তারা বিমানবন্দর সড়ক ছেড়ে দিয়ে একদল টঙ্গীর দিকে আরেকদল কাকরাইল মসজিদ অভিমুখে রওনা হয়েছে।

এর আগে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ব্যাংকক থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান মাওলানা মোহাম্মদ সাদ কান্ধলভি। বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্যের কারণের সমালোচিত মাওলানা সাদের আগমন ঠেকাতে বুধবার সকাল থেকে বিমানবন্দরের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিক্ষোভ করেন তাবলীগ জামাতের একটি অংশ এবং আলেম-ওলামারা।

আপাতত বিমানবন্দরেই রাখা হচ্ছে মাওলানা সাদকে

দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের জিম্মাদার মাওলানা মোহাম্মদ সাদ কান্ধলভি শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত মাওলানা মোহাম্মদ সাদকে শাহজালাল বিমানবন্দরেই রাখা হবে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর থানার ওসি নূরে আযম মিয়া।

ওসি নূরে আযম মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, মাওলানা মোহাম্মদ সাদকে আপাতত বিমানবন্দরের ভেতরেই রাখা হবে। এ মুহূর্তে তাকে ইজতেমা মাঠে নেয়া হচ্ছে না।

মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে যেনো বাংলাদেশে আসতে দেয়া না হয় সেজন্য স্লোগান দিচ্ছেন তারা। গোলচত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। থেমে থেমে গাড়ি চলছে মহাসড়কে।

এছাড়া উত্তরা এলাকার বিভিন্ন মসজিদে এবং বিশেষ করে এয়ারপোর্ট এলাকার মসজিদগুলোতে আলেম ওলামা ও মাদরাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন।

মাওলানা সাদ কান্ধলভী তার নিজের বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার না করে এবং সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে মাওলানা সাদের ইজতেমায় আসা অনুচিত এমন দাবিতেই তারা সমাবেশ করছেন।

ঢাকায় আসছে তাবলীগ নেতা, বিমানবন্দরে আলেমদের বিক্ষোভ

মাওলানা সাদ কান্ধলভী বুধবার (১০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। তবে বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের অন্যতম আলেমগণ মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমায় না আসার আহ্বান জানায়। কিন্তু তিনি বিশ্বের শীর্ষ আলেমদের মতামত ও সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে আজ (১০ জানুয়ারি) বুধবার ঢাকায় আসছেন মাওলানা সাদ কান্ধলভী। তার আসাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে বিমানবন্দর এলাকায় বিক্ষোভ করছেন আলেম ওলামারা।

শাহজালাল বিমানবন্দর থানার ওসি নূরে আযম সিদ্দিকী জানান, মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে যেনো বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া না হয় সেজন্য বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকায় স্লোগান দিচ্ছেন আলেম-ওলামারা। তবে তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও সমাবেশ করছেন বলে জানান ওসি। মাওলানা সাদ কান্ধলভী আজ বেলা সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা তাকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেবো।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, ১২ জানুয়ারি এবারের বিশ্ব ইজতেমা শুরু হলেও মাওলানা সাদ (আজ) বুধবার ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসবেন।

মাওলানা সাদ কান্ধলভী ও নিজামুদ্দিন মারকাজের সদস্যদেরকে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ কূটনৈতিক ভিসা দিয়েছে। তারা এরইমধ্যে বাংলাদেশগামী বিমানের টিকিটও বুকিং দিয়েছেন বলে জানা যায়।

বিশ্ব ইজতেমায় দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলবীর অংশগ্রহণকে প্রতিহত করতে উত্তরা এলাকার বিভিন্ন মসজিদে এবং বিশেষ করে এয়ারপোর্ট এলাকার মসজিদগুলোতে আলেম ওলামা ও মাদরাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা জড়ো হচ্ছেন বলে খবর পাওয়া যায়।

মাওলানা সাদ কান্ধলভী তাঁর নিজের বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার না করে এবং সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে মাওলানা সাদের ইজতেমায় আসা অনুচিত এমন দাবিতেই তারা জড়ো হচ্ছেন।

উল্লেখ্য যে, শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে গত ৭ জানুয়ারি যাত্রবাড়ীতে জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়ায় অনুষ্ঠিত তাবলিগের শুরা সদস্য ও আলেমদের বৈঠকে এবারের ইজতেমায় মাওলানা সাদের না আসার সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিবর্তে বৈঠকের ফয়সাল নিজামুদ্দিনের দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের আসার সিদ্ধান্ত দেন।

ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত সেদিন রাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে হস্তান্তর করা হয়। তখন সবাই জানতেন ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তের বাইরে মাওলানা সাদ বাংলাদেশে আসবেন না।

তাছাড়াও ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দও মাওলানা সাদ কান্ধলভীর প্রতি আস্থাশীল নয় বলেই ভারত সফরকারী প্রতিনিধি দলের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। সে প্রতিবেদনের কপিও বাংলাদেশের আলেমদের গঠিত কমিটির প্রতিনিধির সরকারপক্ষকে হস্তান্তর করেন।

তবে ভারতে সফরকারী সদস্যদেরকে মাওলানা সাদ ও তাঁর পক্ষ থেকে যে প্রতিবেদন দিয়েছিলেন সেখানে তিনি স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন যে, আগের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে তিনি এবারের বিশ্ব ইজতেমায়ও অংশগ্রহণ করবেন।

বেসিক ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ : এমপি মাহজাবিনের বিরুদ্ধে মামলা

বেসিক ব্যাংকের প্রায় তিনশ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংসদ সদস্য মাহজাবিন মোরশেদসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানায় মামলাটি করা হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

১০ জানুয়ারি এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুসংহতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন : ডা. এস এ মালেক

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এ মালেক বলেছেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি কেবলমাত্র একটি দিনই ছিল না, এটি ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহতকরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ডা. এস এ মালেক এ কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) গোলটেবিল মিলনায়তনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহিত উল আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্ণর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডন ও নয়াদিল্লী হয়ে দেশের মাটিতে ফিরে আসেন।
এর আগে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণার কিছুক্ষণ পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গ্রেফতার করে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়। সেখান থেকে জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বিচারের নামে প্রহসন চালিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসি দেওয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল তদানীন্তন বর্বর পাকিস্তান সরকার।
ডা. এস এ মালেক বলেন, ‘১০ জানুয়ারি বিশেষ করে, বঙ্গবন্ধুর কথা বেশী মনে পড়ে, ওই দিন দেশে ফিরে এসে তিনি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুসংহত করার লক্ষ্যে মূল ভীত রচনা করেছিলেন। জাতির পিতার অকাল মৃত্যুর কারণে আমাদের চরম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার কাজ অসমাপ্ত থেকে গেছে। তাঁর অসমাপ্ত কাজ তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাপ্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের প্রবীণ এই সদস্য বলেন, ‘বর্তমান বাস্তবতায় জনগণের সংকট সমাধান করে যেভাবে দেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে পথেই অগ্রসর হচ্ছেন। তাই শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত মনে হচ্ছে এবং ইত্যোমধ্যেই জনগণ তার সুফল পেতে শুরু করেছেন। এখন শুধু প্রয়োজন বর্তমান ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সে কারণেই স্বাধীনতার সপক্ষের সব শক্তির উচিত শেখ হাসিনাকে পুনরায় ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন করা।’
অধ্যাপক আবুল বারকাত বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি যদি ক্ষমতায় না থাকে, তাহলে সামনের দিন অতি ভয়াবহ হতে পারে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ বিশেষত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শন পাঠ ও তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দর্শন ছিল- সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর তৎকালীন শাসকরা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভিন্নপথে নেয়ার চেষ্টা করছে। ওই অপশক্তি অর্থনীতি ও রাজনীতিকে দুবৃত্তায়িত করেছে।
আবুল বারকাত বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের প্রশংসা করে বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের বিগত ৯ বছরে দেশে ভবিষ্যতের শিল্পায়নের ভিত্তি রচিত হয়েছে। তাই এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।
অধ্যাপক ড. মহিতুল আলম স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির যড়যন্ত্র থেকে জাতিকে মুক্ত রাখার জন্য এবং সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরার জন্য বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষ থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সচেতনতামূলক সেল তৈরীর পরামর্শ দেন।
বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় পূর্ণতা লাভ করে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফরম সংগ্রহের আহ্বান

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন উপ-নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দলীয় মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের প্রতি আহবান জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার একথা জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, আগামী ১৩, ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং আগামী ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মনোনয়নের আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
এতে আরো জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি বাবদ নগদ ২৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এই মহান নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকেও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরো একটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পাকিস্তানের কারাগারে সাড়ে নয়মাস আটক থাকার পর ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
এরপর থেকে জাতি দিনটি জাতি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।