অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য বিশ্বের সবচেয়ে পেশাদার দল হওয়া : ল্যাঙ্গার

SHARE

অস্ট্রেলিয়া কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বলেছেন তার দল বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে পেশাদার ও সৎ দল হবার জন্য সংগ্রাম করছে। বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর নিজেদের প্রথম আন্তর্জাতিক সফরের জন্য প্রস্তুতিকালে শনিবার এ কথা বলেন ল্যাঙ্গার।
গেল মার্চে কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে বল টেম্পারিং করেন অস্ট্রেলিয়ার তরুন খেলোয়াড় ক্যামেরন ব্যানক্রফট। ব্যানক্রফটে বল বিকৃতি করতে প্ররোচিত করেন অস্ট্রেলিয়ার দুই সিনিয়র খেলোয়াড় স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার। ফলে নিজ বোর্ড, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কর্তৃক স্মিথ ও ওয়ার্নার এক বছরের জন্য এবং ব্যানক্রফট নয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ হন। এই ঘটনার জন্য পরবর্তীতে কোচের পদ থেকে সড়ে দাড়ান ড্যারেন লেহম্যান। তার জায়গায় অস্ট্রেলিয়ার দলের কোচের দায়িত্ব পান ল্যাঙ্গার।
আগামী মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে সাংবাদিকদের ল্যাঙ্গার জানান,তারা সংস্কৃতি, পেশাদারিত্ব,সততা ও মানবিকতার দিক থেকে বিশ্বের সেরা দল হওয়ার চেস্টা করছে।
সম্প্রতি দলের খেলোয়াড়দের তিনি বলেন, ‘তুমি কতটা টাকা পেয়েছ বা কতগুলো ম্যাচ খেলেছো বা কত রান করেছো- এটা কোন বিষয় নয়। যদি তুমি ভালো না হতে পারো তবে মানুষ কি মনে রাখবে। আমাদের বন্ধুত্ব গুরুত্বপূর্ণ, একত্রিত থাকাটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। সব মিলিয়ে এটাই অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল।’
গত মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকায় বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারীর পর প্রথমবারের মত ইংল্যান্ড সফরে যাবে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়া দলের নতুন কোচ আশা করছেন, ইংল্যান্ডের দশর্করা ও মিডিয়া তাদের মেনে নিবে। সবাই এসব থেকে বেরিয়ে আসবে এবং ক্রিকেটের প্রতি মনোনিবেশ করবে।’
অস্ট্রেলিয়ার জনগনের সম্মান ফিরে পাবার কথাও বলছেন ল্যাঙ্গার। কিন্তু এ জন্য সময় দিতে হবে এবং খেলোয়াড়দের আচরণ মূল্যায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা মাঠের ভেতর ও বাইরে ব্যবহার ভালো করি, তবে আমরা আশা করছি কিছু সম্মান ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারবো। অস্ট্রেলিয়ার জনসাধারন অবশ্যই ক্রিকেট দলকে ভালোবাসে এবং ভালো ক্রিকেটারদের জন্যই এটি বেশি।’
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার বলেন, তার দল আন্তর্জাতিক অন্যান্য দলের স্টাইল অনুকরন করবে না বরং তাদের ওয়ানডে রেকর্ডের উন্নতি করার চেষ্টা করবে।
ল্যাঙ্গার বলেন, ‘অতীতে যা অর্জন করেছি এজন্য আমরা অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে গর্বিত। কাজ করার জন্য আমরা উপায় পেয়েছি এবং এজন্য আমাদের লজ্জা করা উচিত না।’
১৩ জুন থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। সফরে একটি টি-২০ ম্যাচও খেলবে অস্ট্রেলিয়া।